Skip to content

প্রেমিকারে নিয়ে কথা বলি না অনেকদিন।

প্রেমিকারে নিয়ে কথা বলি না অনেকদিন। সে আবার অন্য বেডিদের মত না। তাই অত এক্সপ্রেসের প্রয়োজন পরে না আমার। কিন্তু আমার খুব লিখতে মন চায় তারে নিয়ে। তারকাছ থেকে আমি বরাবরই ট্রিট চেয়ে নেই, আজকেও তাই, বললাম কফি খাওয়াইতে।  বলছি দুইশত টাকা দেন সে পাচঁশত দিলো। দুপুরের খাওয়া শেষ, একটু রেস্ট নিয়ে বের হইলাম কফি খাওয়ার উদ্দ্যেশ্যে। আমার হাতে যে ঘড়িটা দেখা যাচ্ছে, এর একটা সুন্দর স্মৃতি আছে। আমরা তখন সবে চ্যাটিং করি।  টুকটাক কথাবার্তা হয়। 

এর মধ্যে আমি নিজের জন্য ঘড়ি পছন্দ করি। কারণ স্মার্টওয়াচ আমার আর ভাল লাগতেছিলো না। এমাজফিট, ইমিল্যাব, হুয়াই, গুগল সব মিলিয়ে দশটার উপরে স্মার্টওয়াচ ছিল। এর মধ্যে এমাজফিটেরই তিনটা ছিল (বিপ, বিপ ইউ, নিও)। 

তো এবার পছন্দ করলাম হাতের এই ঘড়িটা,  ক্যাসিও। ট্রাষ্ট মি ক্যাসিওর সবগুলো ঘড়ি দেখে এইটাই পছন্দ হইছে আমার। এতো ক্ল্যাসি আর মিনিমাল। তাই যেহেতু পছন্দ হইছে তার সাথে শেয়ার করি তাও মাসখানেক খুজার পর,  কারণ এইটা আউট অফ স্টক ছিলো কোথাও খুজে পাচ্ছিলাম না।  তাকে ছবিটা দিয়েছিলাম, হুট করেই দিন চারেক পর সে আমার এড্রেস চাইতেছিলো। আমি ভাবলাম খুজেঁ পাইছে যেহেতু এড্রেসটা দিই। বললাম ক্যাশ – অন এ পাঠান। আমি পে করে দিবো।  সে স্টাইল মার্চেন্ডাইস থেকে অর্ডার করে ঘড়িটা এনে দিছিলো আমাকে। আমি প্রায় সপ্তাহখানেক পরে হাতে পাই।

 যখন রিসিভ করি,  ডেলিভারি ম্যান বললো নন কন্ডিশনে এসছে। এ্য!, আমি তাকে নক করলাম।  সে বললো এইটা গিফট!  আমি অবাক হইছিলাম। কারণ, আমি এর আগে পূরাটা জীবনে কারও থেকে ঘড়ি গিফট পাই নাই।  এর মধ্যে এই ঘড়িটা এতও পছন্দ ছিলো,  আমি একমাস চেষ্টা করেও কোথাও স্টকে পাই নাই।  আমি তো সেই খুশি৷ 😮

তখনো আমাদের মধ্যে কিছুই ছিলনা,  ঘড়িটা পাবার পর আমি বুঝতে পারলাম সে আমাকে পছন্দ করে তাও আরও মাস দুয়েক পর। আর আমাদের প্রেম হইছিলো তার আরও দুই বছর পর!  😅

এর পর থেকে আমার হাতে ম্যানুয়াল সব ঘড়িই তার দেয়া। আমি পছন্দ হইলেই তারে বলি। আর একটা অকেশন সেটাপ করি,  যেমন বার্থডে বা অন্য কোন বিশেষ দিন!  এমন হতে পারে তার বার্থডে তেও আমার পছন্দের ঘড়ি আমি নিয়ে নিছি।  আজকে ছবি তুলতে যেয়ে স্মৃতিটা মনে পড়ে গেল। 

পুনশ্চঃ এইদিক দিয়ে আমি একটু ডায়ামন্ড ডিগার। আমার পাস্ট দুইটা এক্স ছিল গোল্ড ডিগার।  না মানে জানায়া রাখলাম।  😅

অনেক দীর্ঘ লিখা লিখলাম। কেও না পড়লেও নিজে তো পড়বো মেমরিতে আসলে। লিখাগুলো আমার ব্লগেও লিখি যাতে হারিয়ে না যায়। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *